ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

জমি বিক্রির টাকা দিয়েও বাঁচানো গেল না মেয়েকে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:৩৭, ২৬ মে ২০২১
জমি বিক্রির টাকা দিয়েও বাঁচানো গেল না মেয়েকে
তানজিদা আক্তার পপিকে হত্যার ঘটনায় স্বজনদের আহাজারি (ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ)

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় স্ত্রীকে হাত বেঁধে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে ঘাতক স্বামী হীরা চৌধুরীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়। বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানার পূর্ব লামাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটক স্বামী হীরা চৌধুরী ফতুল্লা থানার পূর্ব লামাপাড়ার ওমর চৌধুরী তুহিনের ছেলে। নিহত গৃহবধূ তানজিদা আক্তার পপি ফতুলার বক্তাবলীর রাজাপুরের মৃত আলী আশরাফের মেয়ে। তাদের ঘরে তুষাত ও তোয়াফ নামে দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

ফতুল্লা থানা পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে স্বামী হীরা চৌধুরী স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে হীরাকে আটক করে ও মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অভিযুক্ত হীরা মাদকাসক্ত বলে জানা গেছে।

Advertisement

নিহত তানজিদা আক্তার পপির মা জানান, ১৩ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নানা অজুহাতে বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করে আসছিলো। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে সব সময় চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেছি। জমি বিক্রি করেও মেয়ের সুখের জন্য চাহিদা পূরন করেছি। সবশেষ হত্যাকাণ্ডের আগের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুরেও তার মেয়র শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে এসেছি। বুধবার সকাল ৮টার দিকে আমাদের ফোন করে জানানো হয়, তার মেয়ে শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারি, মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। 

তানজিদা আক্তার পপিকে হত্যার ঘটনায় স্বজনদের আহাজারি (ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ)ফতুল্লা মডেল থানার এসআই জাকির মাসুদ জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত হীরাকে আটকসহ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। 

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক হীরাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!