তিনি জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে হামলাকারীরা দুইজন ছিল। তাদের একজনকে মাস্ক পরা অবস্থায় দেখা গেছে। আরেকজনের চেহারা বোঝা যাচ্ছিল না।
বুধবার রাতে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে ভেন্টিলেটর ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ও তার বাবা ওমর আলী শেখকে হাতুড়িপেটা করে দুর্বৃত্তরা। দুজনেরই শরীর ও মাথায় আঘাত লেগেছে। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। হাতুড়ি দিয়ে তাদের আঘাত করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বৃহস্পতিবার প্রথমে তাদের রংপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। পরে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার বাবা রংপুরে চিকিৎসাধীন।
.png)
জানা গেছে, ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বাবা ওমর আলী প্রতিদিন সকালে হাঁটাহাঁটি করেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে হাঁটার জন্য বের না হওয়ায় তার সঙ্গীরা খোঁজ নিতে বাড়িতে যান। পরে বাড়িতে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে ইউএনও ও তার বাবাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার সময় প্রহরীকে একটি ঘরে বেঁধে রাখা হয়েছিল।
ঘটনা জানার পরপরই দিনাজপুরের ডিসি মাহমুদুল আলম, এসপি আনোয়ার হোসেনসহ প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছুটে যান।