এদিকে রায় প্রকাশের পরপরই পুরোনো একটি ভিডিও ক্লিপ ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে মিন্নিকে বলে দেখা যায়, আমি আমার স্বামী (রিফাত শরীফ) হত্যার বিচার চাই। দোষীদের ফাঁসি চাই।
গত বুধবার থেকে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে ছোট্ট এই ভিডিও ক্লিপ গণহারে শেয়ার হয়েছে। মঈন মোশাররফ নামে এক ব্যক্তি কমেন্টস করেন, অবশেষে মিন্নির ইচ্ছাই পূরণ হয়েছে।
.png)
নকীব ইয়াহিয়া নামে এক ব্যক্তি ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনের ঘরে লিখেছেন, সত্য সবসময় সুন্দর, মেনে নিতে হবে। এই মিন্নিই রিফাত হত্যার মাস্টারমাইন্ড।
বরগুনা জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, এই মুহূর্তে বরগুনা কারাগারের কনডেম সেলে মিন্নি ব্যতীত অন্য কোনো নারী বন্দি নেই। এছাড়া আলোচিত এ হত্যা মামলার অপর পাঁচ পুরুষ আসামি ছাড়া কনডেম সেলে অন্য কোনো পুরুষ বন্দিও নেই।
জেল সুপার আরো জানান, কারাবিধি অনুযায়ী ছয় বন্দিকেই কনডেম সেলে থালা, বাটি ও কম্বল দেয়া হয়েছে।
এছাড়া প্রতি আসামিকে কারাগারের পক্ষ থেকে দুই সেট পোশাক দেয়া হয়েছে। এ পোশাক তারা পরিধান করবেন।
গত বছর ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনের সড়কে রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে নয়ন বন্ডের গড়া কিশোর গ্যাং বন্ড গ্রুপ। এ হত্যা মামলায় ২৪ জনকে আসামি করে দুটি ভাগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর চার্জশিট দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
এর মধ্যে ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ১৪ জন শিশু আসামি। এ হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি , আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান ও মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী।