গত ৬ অক্টোবরের ঘটনায় মুর্মূষু কিশোরী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাকলিয়া থানার এসআই মো. আমির হোসেন বলেন, অভিযুক্ত রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনকি কিশোরীকে ছুরিকাঘাতে ব্যবহৃত ছুরি সরবরাহকারীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
.png)
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বলেন, পুলিশের তত্ত্বাবধানে আমার মেয়ের চিকিৎসা চলছে। ঘটনার দিন পুলিশ তাৎক্ষণিক রক্ত না দিলে হয়তো মেয়েকে বাঁচানো যেত না।
বাকলিয়া থানার ওসি মো. নেজাম উদ্দিন বলেন, ৯৯৯- এ কল পেয়ে মুর্মূষু কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে এনেছিল পুলিশ সদস্যরা। ২০ মিনিটে পুলিশ সদস্যরা পাঁচ ব্যাগ রক্ত দেয়ায় মেয়েকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, অভিযুক্ত রাসেলের সঙ্গে ভুক্তভোগী কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাই কিশোরীকে বিয়ে করতে প্রস্তাব দেয় রাসেল। বিয়েতে সম্মতিও দেয় কিশোরীর পরিবার। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাসেলের বিরুদ্ধে বখাটেপনা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। তাই বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দেয় কিশোরীর পরিবার। আর এ ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ওই কিশোরীর স্পর্শকাতর স্থানে ছুরিকাঘাত করেছিল বখাটে রাসেল।