এছাড়া এখান থেকে সামুদ্রিক মাছ ও শুঁটকি কেনাসহ তাজা ইলিশের স্বাদ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। এ নদীপথে যাতায়াত করে ব্রিটিশ আমলের প্যাডেল স্টিমার।
এমনকি আন্তর্জাতিক নৌ-রুটের জাহাজও চলাচল করে এ নদীতে। এমন স্থানকে পর্যটকদের জন্য আরো সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
.png)

স্থানীয় বাসিন্দা মোসলেম আলী শেখ বলেন, পাড়েরহাটে এ ধরনের উদ্যোগের কারণে আবাসনের ১৫০ পরিবার নানামুখী কাজের সুযোগ পাচ্ছে। তারা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। এমন উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
প্রকল্পের ডিজাইনার ভূঁইয়া শাহীন সানী বলেন, জলবায়ু দূষণের কারণে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক প্রাণি জীবনাচার। ফলে পরিবেশবান্ধব স্থাপনা নির্মাণই কেবল পরিত্রাণের উপায়। তাই আমরা কাজের ক্ষেত্রে প্রকৃতি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে মনোযোগ দিয়েছি।
ইন্দুরকানীর ইউএনও হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজাহিদ বলেন, এলাকাকে আরো পর্যটনমুখী করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এখানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে। ম্যানগ্রোভ জাতীয় গাছ রোপণের কাজ শুরু হয়েছে। স্থাপনাগুলো সুপারি গাছ ও বিভিন্ন ধরনের কাঠের তৈরি। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে সম্ভাবনাময় এলাকাটিকে পর্যটনমুখী করে তোলা সম্ভব।