বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিসি মো. আতাউল গনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রেজাউর করিম ডিসির কার্যালয়ের অভিযোগ ও তথ্য শাখার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে চাকরি করেন।
জেলা প্রশাসনের সূত্রানুসারে, রেজাউল করিম কোয়াটারে থাকেন। তার পাশের কোয়াটারে থাকা এক নারীকে ইভটিজিং করতেন। বিষয়টি ওই নারী ডিসির কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানান। তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে রেজাউল করিমকে হাজির করলে তিনি ইভটিজিংয়ের কথা স্বীকার করেন।
.png)
পরে বিচারক সালাউদ্দিন আইয়ূবী তাকে এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ডিসি মো. আতাউল গনি জানান, সাজাপ্রাপ্ত রেজাউল করিমকে চাকরি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হবে।