এমনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ছিনতাই চক্রের মূলহোতা মো. সজীব ভূঁইয়া ওরফে বাবু ও তার সহযোগী মো. রোমান।
বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহাম্মেদ হুমায়ন কবির ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদের আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের আইসিটি ও মিডিয়া বিভাগের কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান। তিনি জানান, গ্রেফতাররা ছিনতাইয়ের পর নির্দিষ্ট একটি গ্যারেজে সেই মোটরসাইকেলের রঙ আর পার্টস পরিবর্তন করে বিক্রি করতেন।
এর আগে, ৪ মে রাতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল বাগপাড়া এলাকায় রুহুল আমিন মোল্লার বাড়ির পাশের একটি গ্যারেজ থেকে ছিনতাইকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশ। তখন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. সজীব ভূঁইয়া ওরফে বাবু নিজেকে ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা পরিচয় দিতেন। তিনি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানাধীন তোতা মেম্বারের বাড়ির ভাড়াটিয়া দুলাল ভূঁইয়ার ছেলে।
সজীব সিদ্ধিরগঞ্জের চৌধুরীবাড়ি ক্যানেলপাড় ভাড়া থাকতেন। তার দুই সহযোগী মো. রোমান সিদ্ধিরগঞ্জ চৌধুরী বাড়ি এলাকার আক্কাস আলীর ছেলে এবং মো. জাহিদ সিদ্ধিরগঞ্জ গোদনাইল ক্যানালপাড় এলাকার ইয়াসিনের ছেলে। আল আমিন সিদ্ধিরগঞ্জ বাগপাড়া এলাকার নূর উদ্দিনের ছেলে। আল আমিনের গ্যারেজেই মোটরসাইকেলের রঙ ও অন্যান্য পার্টস পরিবর্তন করা হতো।
৫ মে দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে ডিবির এডিশনাল এসপি জাহেদ পারভেজ চৌধুরী জানান, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থেকে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জ বাগপাড়া এলাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন মো. শামসুল হক মিজি নামে এক যুবক। ২ মে রাত ১১টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকেশ্বরী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে আটকে সঙ্গে থাকা ২১ হাজার টাকার একটি মোবাইল ও একটি মোটরসাইকেল রেখে দিয়ে ছেড়ে দেন। এমন অভিযোগ পেয়ে অনুসন্ধানে নামে ডিবি পুলিশের একটি দল। তিনদিন চেষ্টার পর মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তখন মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন মো. শামসুল হক মিজি।