রোববার তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সৈয়দা নওশীন আফরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই দিনে পাঁচজন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা চিকিৎসা নিয়ে যে যার বাড়িতে চলে গেছে।
তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ ও স্থানীয়দের সূত্রমতে, শনিবার সকাল থেকে রোববার সকাল ১১টা পর্যন্ত পাগলা কুকুরের কামড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, আবার কেউ কেউ চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যায়।
.png)
আহত প্রতিবন্ধী সজিব মোল্লার বাবা ইউনুস মোল্লা বলেন, রোববার সকাল ৮টার দিকে বাইরে থেকে নিজের ঘরে আসার সময় বাড়ির শিম গাছের নিচ থেকে এসে এক পাগলা কুকুড় তার ছেলের উপর আক্রমণ করে। এ সময় তার ডান পায়ে কামড় বসিয়ে দেয় কুকুরটি। পরে তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি।
কুকুরের কামড়ে আহত শিশু বাইজিদ এর মা বলেন, সকালে বাইরে থেকে ঘরে আসার সময় একটি কুকুর আমার ছেলের পায়ে কামড় বসিয়ে দেয়।
অপরদিকে একই গ্রামের আ. কাদির ও ওহাব মিয়ার স্ত্রীকেও পাগলা কুকুর কামড়িয়েছে। তারা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছে।
উপজেলা বাতাকান্দি গ্রামের শাহিন আলম বলেন, আমি বাতাকান্দি বাজারের পাশ দিয়ে হাঁটছিলাম হঠাৎ করে একটি কালো কুকুর এসে আমার পায়ে কামড় বসিয়ে দেয়, তাই আমি চিকিৎসা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছি। সম্প্রতি কুকুরের উপদ্রব বেড়ে গেছে। এটা যদি নিয়ন্ত্রণে না আনা যায় তবে আমার মতো অনেকেরই এমন অবস্থা হতে পারে।