মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) রাতে প্রতাপনগরের রুইয়ার বিল, কুড়িকাউনিয়া, সুভদ্রাকাটি, চাকলা, মাদারবাড়িয়া বেড়িবাঁধে এই ভাঙন দেখা দেয়। খবর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেছেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়ানুর রহমান।
স্থানীয়রা জানায়, গত অমাবস্যার সময় থেকে প্রতাপনগর ইউনিয়নের রুইয়ারবিল গ্রামে কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধের প্রায় ২০০ ফুট স্থানজুড়ে ভাঙন দেখা দেয়। অব্যাহত ভাঙনে মূল বেড়িবাঁধের অর্ধেকেরও বেশি নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সামনের বর্ষা মৌসুমে বাঁধ আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে পুরো ইউনিয়ন ফের প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
.png)
এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়ানুর রহমান বলেন, আমি ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন করেছি। বাঁধ সংস্কারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও ইয়াসের প্রভাবে আশাশুনির কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে প্রতাপনগর ইউনিয়নের ৩০ হাজার মানুষ প্রায় দুই বছর পানিবন্দি ছিলেন।