মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান জানান, মঙ্গলবার ভোরে ঘরের বারান্দায় ঝুলন্ত অবস্থায় সকিনার মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন পুলিশে খবর দেয়।
সকিনা খাতুন ওই এলাকার বদর আলী বগা কসাইয়ের স্ত্রী। এ ঘটনায় সদর থানা পুলিশ বদরকে আটক করে থানায় নিয়েছে।
.png)
ওসি জানান, মেয়ে সুমনা খাতুন ভোরে সকিনাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে আসেন। এ সময় তারা খবর দিলে সদর থানা পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। সন্তানদের অভিযোগের ভিত্তিতে সকিনার স্বামী বদরকে আটক করে পুলিশ।
পরিবারের অভিযোগ, সকিনার স্বামী রাতে তাকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখেন। প্রতিনিয়ত বদর সকিনাকে নির্যাতন করে আসছিলেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।
নিহত সকিনা খাতুনের মেয়ে সুমনা জানান, রাতে মায়ের সঙ্গে ঘরে ঘুমাতে যান তিনি। একসঙ্গে ঘুমালেও ভোরে মাকে বিছানায় না পেয়ে ঘরের বাইরে বারান্দায় এসে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। পরে পরিবারের লোকজন ছুটে আসে। বাবা বদর আলী বগা প্রতিনিয়ত তার মাকে নির্যাতন করে আসছিলেন। রাতে বাবাই তার মাকে হত্যা করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
ওসি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। হত্যার অভিযোগে স্বামী বদর আলীকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।