ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

কুমিল্লায় দর্শনার্থীদের ভিড়

শাহাজাদা এমরান, কুমিল্লা
প্রকাশিত: ১৩:০৫, ১৪ জুলাই ২০২২
কুমিল্লায় দর্শনার্থীদের ভিড়
ছবি: সংগৃহীত

ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। জেলার অর্ধডজন বিনোদন কেন্দ্র এখন দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর। আনন্দে মেতেছেন নানা বয়সী মানুষ। তবে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে তরুণ-তরুণী, শিশু ও পরিবারসহ ঘুরতে আসা মানুষদের। 

জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- শালবন বৌদ্ধ বিহার ও ময়নামতি জাদুঘর, নব শালবন বিহার, ম্যাজিক প্যারাডাইস, ব্লু ওয়াটার পার্ক ও ডাইনোসর পার্ক। এসব বিনোদন কেন্দ্র কোটবাড়ি লালমাই পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। 

এদিকে, শহরতলীর লালমাই বাজার সংলগ্ন স্থানে রয়েছে লালমাই লেকল্যান্ড। নগরীর ডুলিপাড়ায় রয়েছে ফান টাউন। এসব বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর। তবে নগরীর প্রাণকেন্দ্রের নগর উদ্যান ও ধর্মসাগর পাড়ে জনসমাগম বেশি।

Advertisement

বিনোদন কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বরতরা জানান, আগামীকাল শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রে ভিড় থাকবে। এছাড়া প্রতিদিন ঘুরতে আসছেন দর্শনার্থীরা।

জানা যায়, নগরী থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে শালবন বৌদ্ধ বিহার। তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে দুই কিলোটার দূরে এর অবস্থান। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় এখানে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়। এজন্য সবসময় দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে। কাছাকাছি স্থানে রয়েছে রেস্টুরেন্ট। তবে আবাসিক ব্যবস্থা গড়ে উঠলে আরো দর্শনার্থী আসতেন। শালবন বিহারের পরে রয়েছে কোটিলা মুড়া ও রূপবান মুড়া। পাশাপাশি ম্যাজিক প্যারাডাইস। এসব বিনোদন কেন্দ্র এখন দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর। 

মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী সংসদের সভাপতি ডা. গোলাম শাহজাহান বলেন, বিনোদনের জন্য কুমিল্লায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেশকিছু বেসরকারি পার্ক গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন জেলা থেকে এখানে ঘুরতে আসছেন মানুষ। সম্প্রতি নগরীতে ভালো কিছু আবাসিক হোটেলও গড়ে উঠেছে। ফলে বেড়েছে দর্শনার্থীদের সংখ্যাও।

ম্যাজিক প্যারাডাইসের চেয়ারম্যান মাহাবুবুল আলম বলেন, করোনার সময় কিছু রাইড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন সবার জন্য ১৮টি রাইড রয়েছে। কিডস জোনে রয়েছে ৩২টি রাইড। রয়েছে ওয়াটার ওয়ার্ল্ড। এছাড়া রয়েছে ডাইনোসর জোনসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় আয়োজন। ঈদে উপলক্ষে রয়েছে ফ্লাশ মুভ ড্যান্সসহ বিভিন্ন আয়োজন। 

প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর সিলেট ও কুমিল্লা বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান বলেন, অন্যান্য ঈদের মতো এবারও কুমিল্লার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে অসংখ্য দর্শনার্থীর সমাগম ঘটেছে। ঈদের পরদিন আমাদের তিন লাখ টাকা টিকিট বিক্রি হয়েছে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। শালবন বৌদ্ধ বিহার ও ময়নামতি জাদুঘর ঈদের দিন বন্ধ ছিল। পরদিন থেকে উন্মুক্ত করা হয়। দর্শনার্থীদের এ ভিড় থাকবে আগামীকাল শুক্রবার পর্যন্ত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ট্যাগ: কুমিল্লা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!