মৃত হৃদয় ওই গ্রামের মোস্তফার ছেলে। হৃদয় শিমলা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হৃদয় গত সাতদিন ধরে নিখোঁজ ছিল। সোমবার (২২ আগস্ট) সকালে শিমলা বাজারে যাওয়ার কথা বলে সে বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর হৃদয় আর বাড়ি ফেরেনি। হৃদয়ের বাবা মোস্তফা একজন ভ্যানচালক। নিখোঁজের পর থেকে আত্মীয়-স্বজন ও ছেলের বন্ধু-বান্ধবসহ সব জায়গায় খোঁজ-খবর নেন তিনি। কোথাও ছেলের সন্ধান না পেয়ে বুধবার (২৪ আগস্ট) গোপালপুর থানায় একটি জিডি করেন।
.png)
রোববার সকালে বাঁশের পাতা আনতে স্থানীয় এক ব্যক্তি ওই বাঁশ ঝাড়ে গিয়ে ডোবায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে তার ডাক-চিৎকারে লোকজন এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে হৃদয়ের স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার ওসি মোশারফ হোসেন জানান, হৃদয়ের বাবা থানায় জিডি করার পর পুলিশ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ নিয়েছে। সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।