লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বামী মো. সোহাগকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সকালে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমলনগর থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে শ্বশুর বাড়ি থেকে সোহাগকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত সোহাগ কমলনগর উপজেলার ভবানীগঞ্জের চরউভূতি গ্রামের সফিক উল্যার ছেলে।
.png)
জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে কমলনগর উপজেলার একটি গ্রামের ঐ মেয়ের সঙ্গে সোহাগের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। এতে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়ার কথা থাকলেও ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি টাকার জন্য সোহাগ স্ত্রীকে চাপ প্রয়োগ করেন। এরমধ্যে বিয়ের দুই মাস অতিবাহিত হয়। বেড়ানোর কথা বলে তিনি স্ত্রীকে ঢাকায় নিয়ে যান। পরে অচেতন করে ড্রামে ভরে চোরাই পথে স্ত্রীকে কলকাতার কাছাকাছি নিয়ে অবস্থানরত বোন সাহিদার কাছে রেখে আসেন।
গত ১০ অক্টোবর ভুক্তভোগীর ভাই কমলনগরের হাজিরহাট পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দেন। পুলিশের চাপ প্রয়োগে গত সপ্তাহে স্ত্রীকে অচেতন করে বাড়িতে নিয়ে আসেন সোহাগ। পরে স্বাভাবিক হয়ে ঐ নারী তার বাবার বাড়িতে গিয়ে জানান, তাকে কলকাতার পতিতালয়ে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে।
যৌতুকের বাকি টাকা দেওয়ার কথা বলে সোহাগকে বুধবার (১৯ অক্টোবর) রাতে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে আনা হয়। পরে তাকে আটকে রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পুলিশকে খবর দেন।
এ ব্যাপারে কমলনগর থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে সোহাগকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।