নিহত রিনা আক্তার মায়া কালিহাতী উপজেলার মহেলা গ্রামের হাবিল উদ্দিনের মেয়ে। তিনি সরকারি কুমুদিনী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
জানা গেছে, দেড় বছর আগে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা মুন্সিপাড়া এলাকার সামাল খানের ছেলে ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তর সঙ্গে রিনা আক্তার মায়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাকে শারীরিক ও মানুষিকভাবে নির্যাতন করত স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। বিষয়টি বাবাকে জানান ভুক্তভোগী মায়া। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর চড়াও হয় স্বামী প্রান্ত। মারধরের এক পর্যায়ে মায়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। এরপর লাশের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে চিৎকার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার এবং নিহতের স্বামী প্রান্তকে আটক করে।
.png)
টাঙ্গাইল মডেল থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন জানান, নিহতেরর বাবা বাদী হয়ে প্রান্তকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযুক্ত প্রান্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পর আদালতে পাঠানো হবে।