বুধবার দুপুরে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ ওসমান হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সফিউল আজমকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত রাশেদুল ইসলামকেও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৪ জানুয়ারি দুপুরে সোনাগাজী পৌর শহরের ফরিদ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কম্পিউটার দোকানে যান বিবি হাসিনা লিপি। এরপর দীর্ঘসময় বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি করেন স্বজনরা। ওইদিন বিকেলে দোকান থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে গণধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ এনে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন তার বাবা মকবুল আহম্মদ। মামলায় দোকান মালিক চরগনেশ এলাকার হাফেজ মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে সফিউল আজম ও তার সহযোগি আবদুল মুনাফের ছেলে রাশেদুল ইসলামকে আসামি করা হয়।
.png)
একই বছরের ৩ এপ্রিল দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন। পরের বছর ২০০৯ সালের ৫ জুলাই তৎকালীন জেলা ও দায়রা জজ একেএম আরিফুর রহমান অভিযোগ গঠন করে বিচারকাজ শুরু করেন। এ মামলায় ১৪ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়। আদালতে জবানবন্দি দেন সাক্ষী সোহরাব উদ্দিন কফিল ও শাহাদাত হোসেন মিলন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আজ এ রায় দেন বিচারক।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদ আহম্মদ হাজারী জানান, সফিউল আজমকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং তার সহযোগি রাশেদুল ইসলামকে যাবজ্জীবন ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে তাদের ফেনী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট ফয়েজুল হক মিলস্কী।