বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে শিশুটির হত্যাকারি বুলবুল আহমেদ সোনারের তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার বিশা ইউনিয়নের শ্রীধরগুরনই গ্রামের পারাপার ঘাটের দক্ষিণ পাশে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
শিশু ইব্রাহিম উপজেলার শ্রীধরগুড়নই গ্রামের হযরত আলীর ছেলে। বেলুনের জন্য ইব্রাহিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে হত্যাকারি বুলবুল আহমেদ সোনার পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে স্বীকার করেছে।
.png)
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনার পর থেকে ছেলেকে ফেরত দেওয়ার কথা বলে ফোনে শিশুটির পরিবারের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। ফোন নাম্বারের সূত্র ধরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে শ্রীধরগুরনই গ্রামের জলিল সোনারের ছেলে মুদি দোকানদার বুলবুল আহমেদকে আটক করে থানায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসা বাদ করলে সে হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে এবং নিজেই মুক্তিপণ দাবি করে বলে স্বীকার করে।
জিঙ্গাসাবাদে মুদি দোকানী পুলিশকে জানান, ঘটনার দিন সকালে শিশু ইব্রাহিম বুলবুলের মুদি দোকানে বেলুন কিনতে আসে। তাকে একটি বেলুন দিলে সেটি ফুলানোর সময় ফেটে যায়। এরপর আরেকটি বেলুন দিলে সেটিও ফুলানোর সময় ফেটে যায়। এ সময় বুলবুল ক্ষীপ্ত হয়ে শিশু ইব্রাহিমের গলায় চাপ দিলে ঘটনাস্থলেই ইব্রাহিম মারা যায়। এ অবস্থায় বুলবুল ইব্রাহিমের মরদেহ বস্তাবন্দি করে দোকানে লুকিয়ে রাখেন। পরে আত্রাই নদীর কিনারে পানির ভেতর মরদেহ পুঁতে চাপা দিয়ে রাখেন। এরপর সে ইব্রাহিমকে ফেরত দেওয়ার নামে মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে তার বাবার কাছে।