গোপনে পাঠ্যবই বিক্রি, প্রধান শিক্ষককে শোকজ
ময়মনসিংহের নান্দাইলে উদং মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাপ্ত বিপুল সংখ্যক সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগে শোকজ করা হয়েছে।
গত রোববার বিকেলে অতি গোপনে প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ারুল হক ফকির ও অফিস সহকারী মো. আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে বই বিক্রির অভিযোগ উঠে।
বিদ্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণ বই নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা ভ্যানচালকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার হয়।
এ ঘটনায় নান্দাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোফাখখারুল সরেজমিন তদন্ত করে এর সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা যায়।
বিদ্যালয়ের সভাপতি আবু হানিফা মাসুদ বলেন, বই বিক্রির ঘটনায় বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটিকে অবগত না করেই প্রধান শিক্ষিক ও অফিস সহকারী এই কাজ করেছেন। বই বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। প্রধানশিক্ষক নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ম্যানেজিং কমিটিকে পাশ কাটিয়ে বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যসহ যাবতীয় কাজ করে থাকে।
ভ্যানচালক হারিস মিয়া বলেন, প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল হক ফকির ও অফিস সহকারী আতাউর রহমানের কাছ থেকে কেজি ধরে বই ক্রয় করি। এতে আমার কোনো দোষ নেই। পুরাতন কাগজপত্র বিক্রি করা হবে এই কথা বলে প্রধান শিক্ষক খবর দেন। আমি গরিব মানুষ ভাঙ্গারি ব্যবসা করে খাই।
নান্দাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোফাখখারুল জানান, বই বিক্রির ঘটনাটি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিক জানান, আমি এখনো কোনো নোটিশ বা এ জাতীয় কোনো কাগজ পাইনি।