রোববার বিকেলে জেলার রামনগর ইউনিয়নের বড় খামাতপাড়া গ্রামে ঐ শিক্ষকের বাড়িতে অনশন শুরু করেন তিনি। এর আগে, শনিবার রাতে শিক্ষক মনিরুজ্জামান বাবুর বাড়িতে ওঠেন ঐ স্কুলছাত্রী। এ ঘটনার পর মনিরুজ্জামান বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
অভিযুক্ত মনিরুজ্জামান রামনগর ইউনিয়নের বড় খামাতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মকছেদুল ইসলামের ছেলে। মনিরুজ্জামান সদর উপজেলার চাঁদের হাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ল্যাব অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
.png)
জানা যায়, মনিরুজ্জামান বাবুর কাছে প্রাইভেট পড়তেন ঐ ছাত্রী। দুই বছর আগে ঐ ছাত্রীর সঙ্গে মনিরুজ্জামানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের জন্য চাপ দিলে মনিরুজ্জামান তালবাহানা করতে থাকেন। এ জন্য ঐ ছাত্রী প্রাইভেট শিক্ষকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন।
ঐ ছাত্রী জানান, মনিরুজ্জামান বাবু বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন সময় তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। এখন বিয়ে না করে তিনি তালবাহানা করছেন। মনিরুজ্জামান তাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত না খেয়ে থাকবেন বলে জানান ঐ ছাত্রী।
এ বিষয়ে রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঐ স্কুলছাত্রী শনিবার রাত থেকে বিয়ের দাবিতে প্রাইভেট শিক্ষকের বাড়িতে অবস্থান করছেন। স্কুলছাত্রী নিজের দাবিতে অনড়। এ বিষয়ে উভয় পরিবারকে সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসার জন্য বলা হয়েছে।