দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- হাফশিয়া বেগম ও তার পরকীয়া প্রেমিক খোরশেদ মোল্লা। দুইজনের বাড়ি রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউপির মাটিপাড়া গ্রামে।
জানা যায়, রাজবাড়ী সদর উপজেলার মাটিপাড়া গ্রামের আজগর আলী সর্দারের প্রথম স্ত্রী মারা গেলে হাফশিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। আজগর আলী সরদারের আগের স্ত্রীর এক কন্যা ছিল। বিয়ের পর থেকে হাফশিয়া প্রতিবেশী খোরশেদ মোল্লার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি কলেজ পড়ুয়া মর্জিনা দেখতে পেয়ে তার বাবাকে বলে দেবার কথা বলে। বিষয়টি গোপন রাখার জন্য সৎমা হাফশিয়া ও তার প্রেমিক খোরশেদ নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে মর্জিনাকে।
.png)
২০১৩ সালে ২২ অক্টোবর মর্জিনা রাজবাড়ী আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে ফিরে বাড়িতে এসে সৎমা হাফশিয়া ও তার প্রেমিক খোরশেদকে ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে। তখন হাফশিয়া ও খোরশেদ দুইজন মিলে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে। পরে মর্জিনা আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করে। মর্জিনার বাবা আজগর আলী সরদার হাফশিয়া ও খোরশেদকে আসামি করে রাজবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
রাজবাড়ী জজ আদালতের সরকারি কৌশলী অ্যাডভোকেট উজির আলী বলেন, খোরশেদ ও হাফশিয়া আদালতে শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। দীর্ঘ সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। এ রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।