রোববার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম মামলার প্রধান আসামি আল্লেক আলীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। তবে অপর আসামি মনা আলী পলাতক রয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত আল্লেক আলী ও মনা আলী ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রামের সোনা উল্লাহর ছেলে।
কুষ্টিয়া জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
.png)
জানা যায় ২০০৬ সালে ৩০ জুন ভোরে ভুক্তভোগী হাফিজা খাতুন বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। এর কয়েক ঘণ্টা পর হাফিজা খাতুনের লাশ পুকুরে ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যায় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার আড়াই মাস পরে নিহতের মামা আসমত আলী ভেড়ামারা থানায় হাফিজার স্বামীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আবু জাফর তদন্ত শেষে নিহতের স্বামীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৪ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত রোববার এ রায় ঘোষণা করেন।