জানা যায়, নবীনগর উপজেলার নাটঘর ইউপির বড়হিত গ্রামের জহির আলম একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করেন। তার শ্বশুর তাকে একটি গাভি কিনে দেন লালন-পালন করার জন্য। তিনি অনেক দিন ধরে গাভিটি লালন-পালন করে আসছিলেন। গাভির আগেও একটা বাছুর আছে। প্রথম বাছুরের জন্মের পর ১০ মাস পর শুক্রবার ভোর থেকে গাভিটির আবার প্রসব ব্যথা শুরু হয়। পরে সকালে স্থানীয় ভেটেরিনারি পল্লী চিকিৎসককে খবর দিলে তিনি এসে অপারেশনের মাধ্যমে বাছুরটিকে খালাস করেন। জন্মের পর দেখা যায় বাছুরটির দুই মাথা, চার চোখ ও চার কানবিশিষ্ট। তবে জন্মের অল্প সময় পরই বাছুরটি মারা যায়।
পল্লী চিকিৎসক হারিজ মিয়া বলেন, সকালে একটি গাভির বাছুর খালাস করতে গিয়ে দেখি বাছুরের দুটি মাথা। পরে গাভির পেট কেটে অপারেশনেরর মাধ্যমে বাছুরটি খালাস করি। বাছুরটির দুই মাথার পাশাপাশি চার চোখ ও চার কানবিশিষ্ট ছিলো। জন্মের অল্প সময় পরই বাছুরটি মারা যায়। তবে গাভিটি সুস্থ আছে।
.png)