রোববার (১১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রানীনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ। তিনি জানান, খবর পেয়ে কবর দুটিকে ভেঙে সমান করার নির্দেশ দেওয়া হলে তা ভেঙে ফেলা হয়।
খোরশেদ জানান, দীর্ঘদিন প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি ও তার স্ত্রী চায়না বেগম। দুইদিন আগে মেঝেতে কবর তৈরি করে তা তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। স্বপ্ন দেখার পর এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে বিদেশ পাড়ি জমানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন গুরু।
.png)
স্বপ্নে চাওয়া জায়গার স্থান ঠিক করে গুরুর শরণাপন্ন হলে তিনি খোরশেদকে আবারো দুবাই অথবা কুয়েতে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
পাশাপাশি দুই কবরের কথা জানতে চাইলে খোরশেদ বলেন, গুরু এবং দাদা পীর দুইজনকে একসঙ্গে রাখার স্বপ্ন দেখায় পাশাপাশি দুই কবর। তারা একসঙ্গে থাকবেন। তাবু টাঙানো, সন্ধ্যায় আগরবাতি জ্বালানো সহ নানাবিধ কাজ গুরুর পরামর্শে করে থাকেন তিনি।
এদিকে খোরশেদের স্ত্রী চায়না বেগম জানান, স্বামীর স্বপ্ন দেখে কবর নির্মাণে তিনিও সাহায্য করেছিলেন। তাদের পরিবারের সবাই গুরুর মুরিদ। তাই গুরুর কথায় এমনটা করেছেন। জায়গা প্রস্তত করে গুরুর কাছে গেলে গুরু কবরের স্থানটি ওইভাবে রেখে তার স্বামীকে কাজ করার জন্য বিদেশ পাড়ি জমানোর পরামর্শ দেন।
এদিকে ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, এমন কর্মকাণ্ড আইনগত ও সামাজিক উভয়ভাবে প্রতিহত করা হবে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা নির্মূলের কথাও জানান তিনি।