আখাউড়ায় শেষ মুহূর্তে মহিষ কেনার ধুম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। তবে তুলনামূলক দাম কম থাকায় বেশির ভাগ মানুষ মহিষ ক্রয় করছেন। কাঙ্ক্ষিত দামে মহিষ কিনতে পেরে ক্রেতারা অনেক খুশি।
একাধিক খামারি জানান, দিন দিন মহিষের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে তারা পালন করছেন। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মহিষের চাহিদা বেশি।
বুধবার বিকেলে শহরের শহিদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ মাঠের অস্থায়ী পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়- লাল, কালো, সাদা রঙের দেশি- বিদেশি মহিষ, গরু ও ছাগল উঠেছে পশুর হাটে। এর মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি মহিষ উঠছে এই হাটে। যা চোখে পড়ার মতো। এক একটি মহিষ বিক্রি হচ্ছে ১-৩ লাখ টাকার উপর।
.png)
খামারি গোলাম ফারুক জানান, তিনি গত ১০ বছর ধরে খামারে মহিষ পালন করছেন। এ বছর তিনি ১২টি মহিষ পালন করেছেন। তার খামারে ২০০-৪০০ কেজি ওজনের মহিষ রয়েছে। বাজারে মহিষের চাহিদা ভালো থাকায় এ পযর্ন্ত তিনি ১০টি মহিষ বিক্রি করেছেন।
কামরুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন- মা, ভাইসহ পরিবারের তিন সদস্য আছেন। যাদের গরুর মাংস খাওয়া চিকিৎসকের নিষেধ রয়েছে। তাই গত ৬ বছর ধরে মহিষ কিনে কোরবানি দিচ্ছি। এবার ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে একটি মহিষ কিনেছি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জুয়েল মজুমদার বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় মহিষের মাংসের চাহিদা বাড়ছে। গুণগত মানের থেকে গরুর মাংসের তুলনায় মহিষের মাংস কিছুটা স্বাস্থ্যসম্মত। উভয় মাংসের স্বাদ প্রায় একই রকম হলেও মহিষের মাংসে প্রোটিন তুলনামূলকভাবে বেশি। মহিষের মাংসে ২ শতাংশের কম কোলেস্টেরল থাকে অথচ গরুর মাংসে ৪ শতাংশেরও বেশি।