প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের খতিব হজরতুল আল্লামা সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরি এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আহমদুল হক।
জামাত শেষে খুৎবা পাঠ করা হয়। এরপর হয় দোয়া ও মোনাজাত। মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনার পাশাপাশি সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর গুনাহ মাফ চেয়ে দোয়া কামনা করা হয়। যেকোনো বিপদ থেকে দেশকে হেফাজতের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়। মোনাজাত শেষে একে অপরকে আলিঙ্গন করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
.png)
ঈদের খুৎবা-পূর্ব বয়ানে খতিব কোরবানির গুরুত্ব, তাৎপর্য ও ফজিলত সম্পর্কে আলোচনা করেন। এ সময় হিংসা বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ইসলামী মূল্যবোধের অন্যতম বিষয় হলো- যা কিছু ঘৃণা ও হিংসা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে এবং যা কিছু আমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্পর্ক বিনষ্ট করে তা থেকে দূরে থাকা। আর আমাদের আচার আচরণে পারস্পরিক ভালোবাসা ও মায়ামমতা বিদ্যমান থাকা। এসব মূল্যবোধ আল্লাহর রজ্জুকে শক্তভাবে ধারণ করার চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবেই বিবেচিত।
চসিকের তত্ত্বাবধানে সকাল সাড়ে ৭টায় লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে হজরত শেখ ফরিদ (র.) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরু বাজার জামে মসজিদ ও মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদে (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন) ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় ঈদুল আজহার জামাত।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটির ব্যবস্থাপনায় ঈদুল আজহার প্রধান ঈদ জামাত এমএ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা ড. সাইয়েদ আবু নোমান। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, পাড়া ও মহল্লার জামে মসজিদ এবং চসিকের তত্ত্বাবধানে দেড় শতাধিক জামে মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।