ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

পাটের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষকরা

মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:০৯, ১৫ আগস্ট ২০২৩
পাটের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষকরা
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চলতি মৌসুমে মেহেরপুর জেলা সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ হাজার ৫৭৪ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে চাষ হয়েছে ২২ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে। এ বছর পাটের ফলনও আশানুরূপ হওয়ার আশায় বুক বেঁধেছেন কৃষকরা।  

চাষিদের অনেকেই বৃষ্টিপাতের আশায় পাট কেটে জমির পাশে, কেউবা রাস্তার পাশে অথবা খাল-বিল বা ডোবার পাশে স্তুপ করে রেখে দিয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকে আবার খাল-বিল বা জলাশয় এর অল্প পানিতেই পাট পচানোর চেষ্টা করছেন। তবে অধিকাংশ চাষিকেই ডোবা কিংবা জলাশয়ে পাট জাগ দিয়ে পচানোর জন্য শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে পানি দিতে দেখা গেছে।

জেলার আলমপুর  গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, ৩ বিঘা জমিতে পাট রয়েছে। অন্য কোথাও পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। যেখানে জাগ দেওয়া হয় সে জায়গাতে পানি না থাকায় অন্য আবাদের জন্য চাষ করা হয়েছে। 

Advertisement

গাংনী উপজেলার শিশিরপাড়া গ্রামের পাটচাষী মহিদুল ইসলাম, ও রমজান আলী বলেন, আড়াই বিঘা করে পাট চাষ করেছি। পানি না পেয়ে জমির পাট কেটে জমির পাশেই স্তুপ করে রেখে দিয়েছি। আশেপাশের ডোবা-নালাতে পানি না থাকায় জাগ দিতে পারছি না।  

আমঝুপির বানে মন্ডল জানান, পাট জাগ দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা করতে না পেরে জমি থেকে এখনো পাট কাটতে পারিনি। আবার জমিতে অন্য ফসল আবাদের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে।

গাংনী উপজেলার বাওট গ্রামের কৃষক মিনাল হোসেন বলেন, মাঠে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় কর্তনও হয়েছে, কিন্তু পানির অভাবে পঁচাতে পারছি না। 

মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস গ্রামের কৃষক সাফাতুল্লাহ ও রহমত আলী বলেন, খাল-বিল-পুকুর এমনকি জলাশয় কোথায়ও পানি নেই। মাঠ এখন শুকনো, তাই পাট কাটতে পারছি না।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক শঙ্কর কুমার মজুমদার জানায়, যেহেতু বৃষ্টিপাত নেই। অনেকেই শ্যালো ইঞ্জিন কিংবা মটরের পানিতে পাট জাগ দিচ্ছেন। সে হিসেবে রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট জাগ দেওয়া হলে অল্প জায়গায় বেশি পাট জাগ দেওয়া সম্ভব।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!