রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে গ্রেফতারকৃতদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মনছুর আহাম্মদ বাবু, মো. আজাদ হোসেন, ফখরুল ইসলাম, সাহাব উদ্দিন, জাহিদুর রহমান, লিটন, শাহাদাত হোসেন সবুজ।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর পরশুরামের বিভিন্ন স্থানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর আগে, গত ৭ আগস্ট পৌরসভার সামনে হারুন স্টেশনারি দোকান থেকে নগদ সাড়ে চার হাজার টাকা, আড়াই হাজার টাকার রিচার্জ কার্ড, ৩৬ হাজার টাকা দামের তিনটি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন কোম্পানির ১৫ হাজার টাকার সিগারেট চুরি হয়। পুলিশ পৌরসভার সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে মনছুর আহাম্মদ বাবুকে শনাক্ত করে। তাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে চোর চক্রের আরো কয়েকজনের নাম ও পরশুরাম বাজারের সব চুরির ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেন।
.png)
বাবুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে মো. আজাদকে আটকের পর তার বাসায় অভিযান চালিয়ে তিনটি মোবাইল সেটসহ চোরাই মালামাল উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পরশুরামের বিভিন্ন স্থানে চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে আজাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি হওয়া ল্যাপটপ ফেনির স্টেশন রোডের ইলেকট্রনিক অ্যান্ড মোবাইল সার্ভিস সেন্টারের ফখরুল ইসলামের কাছ থেকে এবং হারুন স্টেশনারির চুরি হওয়া সিগারেট স্টেশন রোডের সাহাব উদ্দিনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।
পরশুরাম থানার ওসি মো. শাহাদাত হোসাইন খাঁন জানান, পরশুরামে চুরি হওয়া বেশিভাগ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিগুলো উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় পৃথক চুরির মামলা হয়েছে।