শুক্রবার (১৫ মার্চ) এ ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী লামিয়ার বড় বোন ফাতেমা আক্তার নিহার বর্ণনা অনুযায়ী এ স্কেচ করা হয়। স্কেচটি এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে হেলমেট পরা দুই যুবক পরশুরাম পৌরসভার পশ্চিম বাঁশপদুয়া এলাকার এয়ার আহাম্মদের ভাড়া বাসায় এসে নিজেদের পল্লী বিদ্যুতের লোক দাবি করে দরজা খুলতে বলেন। শিশুরা দরজা খুলে দিলে তারা ঘরের ভেতর ঢুকে লামিয়াকে স্কচটেপ দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে হত্যা করেন। এ সময় বড় বোন ফাতেমা আক্তার নিহা পালিয়ে গিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়। ওইদিন রাতে এ ঘটনায় নিহত শিশু লামিয়ার বাবা মো. নূর নবী বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে পরশুরাম থানায় একটি মামলা করেন।
.png)
অপরদিকে ফেনীর পরশুরামের বাঁশপদুযা গ্রামের লামিয়া হত্যার একমাস পেরিয়ে গেলেও এখন কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। হত্যার মূল রহস্য এখনো উদঘাটিত হয়নি।
হত্যার ঘটনায় পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে লামিয়ার মা আয়েশা আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে দুই দফা পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। লামিয়াকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে অভিযুক্ত মা আয়েশা বর্তমানে ফেনী কারাগারে আছেন।
নিহত শিশু লামিয়ার বাবা নূর নবী বলেন, বিচ্ছেদের পরও আমার আগের স্ত্রী আয়েশার সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। আমাকে ও আমার বর্তমান স্ত্রীকে ফাঁসাতেই আয়েশা এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছে।
পরশুরাম মডেল থানার ওসি মো. শাহাদাত হোসাইন বলেন, এ ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী নিহার কাছ থেকে বিবরণ শুনে স্কেচ করানো হয়েছে। আঁকা স্কেচ এরই মধ্যে দেশের সব থানায় পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনে নিরলসভাবে কাজ করছে পুলিশ। শিগগিরই হত্যার রহস্য উন্মোচিত করে হত্যাকারীকে গ্রেফতার করা হবে।