ফটিকছড়িতে বিজয়ী নাজিম, হাটহাজারীতে ইউনুস গণি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি আনারস প্রতীকের প্রার্থী বখতিয়ার সাঈদ ইরানকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।
এছাড়া হাটহাজারীতে বিজয়ী হয়েছেন আনারস প্রতীকের প্রার্থী ইউনুস গণি চৌধুরী। মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী এসএম রাশেদুল আলম এবং ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী সোহরাব হোসেন চৌধুরী নোমানকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার রাতে সবশেষ পাওয়া খবরে এসব তথ্য জানা গেছে।
.png)
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে চট্টগ্রামের তিন উপজেলা হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার। রাঙ্গুনিয়ায় চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় শুধুমাত্র পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সেখানে।
মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে টানা চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। তিন উপজেলায় ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
তিন উপজেলায় মোট ভোটার ১১ লাখ ২০ হাজার ৭৩৪ জন। এর মধ্যে হাটহাজারীতে রয়েছেন তিন লাখ ৫৭ হাজার ৪৪৮ জন। এতে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা এক লাখ ৮৬ হাজার ৬৪৩ জন ও নারী এক লাখ ৭০ হাজার ৮০৫ জন। ফটিকছড়িতে ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৬৪ হাজার ৬০৭ জন। যার মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৪৫ হাজার ৯৩৮ জন ও নারী দুই লাখ ১৮ হাজার ৬৬৭ জন। রাঙ্গুনিয়ায় মোট ভোটার দুই লাখ ৯৮ হাজার ৬৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৫৮ হাজার ১২২ জন ও নারী এক লাখ ৪০ হাজার ৫৫৭ জন।
তিন উপজেলায় ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৩৪৩টি। এর মধ্যে হাটহাজারীতে ১০৬টি, ফটিছড়িতে ১৪২টি ও রাঙ্গুনিয়ায় ৯৫টি। ভোটগ্রহণে নিয়োজিত ছিলেন নয় হাজার ৬৭৪ জন কর্মকর্তা। তিন উপজেলায় র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি ৬০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন।
এ ধাপে চট্টগ্রামের চার উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও রাউজানে সবকটি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হওয়ায় বাকি তিনটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাউজানে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে একেএম এহেছানুল হায়দর চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নুর মোহাম্মদ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রুবিনা ইয়াছমিন রুজি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।