ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
কোরবানির পশু

চামড়া পাচারের শঙ্কা, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:১০, ১৮ জুন ২০২৪
চামড়া পাচারের শঙ্কা, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি
ছবি: সংগৃহীত

ব্যবসায়ীরা ন্যায্যমূল্য না পেলে যশোরের সীমান্তপথ দিয়ে ভারতে কোরবানির পশুর চামড়া পাচার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাচার রোধে কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে ১০ দিনের সতর্কতা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই মধ্যে সীমান্ত সড়কে যানবাহন তল্লাশি করা হচ্ছে। যশোরের সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয়েছে বিজিবির টহল।

মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন ৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহম্মেদ হাসান জামিল। ঈদের দিন থেকে আগামী ১০ দিন পর্যন্ত এ সতর্কতা জারি থাকবে।

চামড়ার ক্রেতা রহমান জানান, ৭০০ টাকায় কেনা চামড়া বিক্রির সময় ৩০০ টাকা বলছে। আর ছাগলের চামড়ার দাম ৫ টাকা। এরকম দাম থাকলে এবার চামড়া পাচার হতে পারে।

Advertisement

চামড়া বিক্রেতা কাজল বলেন, সরকার যে দাম নির্ধারণ করেছে, নানা অজুহাত দেখিয়ে সেই দাম দেওয়া হচ্ছে না। এবার লোকশান গুণতে হবে।
 
বেনাপোলে চামড়া কিনতে আসা ব্যবসায়ী আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, এবার কোরবানির পশুর চামড়ার সরবরাহ কম। আবার মানও ভালো না। তাই দাম বেশি দাম দিয়ে কিনতে পারছেন না।

জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে দেশের বাজারে চামড়ার ন্যায্য দাম না পাওয়ায় পাচারের শঙ্কা বেড়েই চলেছে। তবে দেশের সম্পদের পাচার ঠেকাতে প্রতি বছর বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্তজুড়ে বাড়তি সতর্কতা নেয়া হয়। এ বছরও পাচার রোধে বিজিবির সদর দফতর থেকে নির্দেশ এসেছে। এরপরই ৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবি কোরবানির দিন থেকে পরবর্তী ১০ দিন সীমান্তের বিশেষ পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই মধ্যে সব পয়েন্টে বিশেষ টহল অব্যাহত আছে। এছাড়া পাচার প্রতিরোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছে বিজিবি।
 
৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহম্মেদ হাসান জামিল বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া যাতে পাচার না হয়, সেজন্য সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। আগামী ১০ দিন এই সতর্কতা থাকবে।
 
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি সুমন ভক্ত জানান, কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে সীমান্তে অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশও। সীমান্ত অভিমুখে প্রবেশের সময় চালকদের জিজ্ঞাসাবাদসহ ও তল্লাশি করা হচ্ছে যানবাহন।
 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!