পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাপ্পি ও তাজ উদ্দিন শুক্রবার সাদাপাথর এলাকায় বেড়াতে আসেন। সেখান থেকে তারা সীমান্তবর্তী কমলাছড়ায় যায়। সেখানে গিয়ে টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ সময় তাজ উদ্দিন পাথর দিয়ে বাপ্পির মাথায় আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই বাপ্পির মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে তাজ উদ্দিন নিজেই স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে হত্যার বিষয়ে জানায়। এর আগে তারা এক সপ্তাহ শাহ জালাল মাজারে ছিল। সেখান থেকে এসেছিল সাদাপাথর।
বাপ্পির পরিচয় পাওয়া না গেলেও হত্যাকারী তাজ উদ্দিনের পরিচয় পাওয়া গেছে। সে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বলাইকান্দী গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে।
.png)
তবে, নিহত বাপ্পিকে বন্ধু সম্বোধন করলেও তার বিষয়ে কোনো তথ্যই পুলিশকে জানাতে পারেনি তাজ উদ্দিন। এমনকি তার পিতামাতার নাম বা কোথায় থাকে কোনো কিছুই জানেন না তাজ।
কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সুবিনয় বৈদ্য বলেন, তাজ উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। নিহতে বন্ধু বললেও তার বিষয়ে নাম জানা ছাড়া আর কোনো তথ্য নেই। আমরা সিআইডির কাছে ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়ার আবেদন জানাবো। সেখানে নিহতের পরিচয় পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদিউজ্জামান জানান, হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাজ উদ্দিন নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। লাশ পুলিশ উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় নিয়ে এসেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।