এর আগে হরি মন্দির প্রাঙ্গণে মঙ্গল শোভাযাত্রা উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ, চকরিয়া উপজেলা শাখা ও নিত্যানন্দ গীতা সংঘের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মঙ্গল শোভাযাত্রার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মহতী ধর্মসভা ও ষোড়শপ্রহরব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চকরিয়া সার্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির মহোৎসব উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি চিকিৎসক তেজেন্দ্র লাল দে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ, চকরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি নারায়ণ কান্তি দাশ।
.png)
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার। মঙ্গল শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আবদুল আজিজ।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চকরিয়া উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ, চিরিংগা হিন্দুপাড়া যুবকল্যাণ সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রদীপ কান্তি দাশ, চকরিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর জাফর আলম কালু, চকরিয়া সার্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরের উপদেষ্টা হারাধন দাশ ও মন্টু বসাক, বিকাশ ধর (মহাজন), চকরিয়া জুয়েলারি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুলাল সুশীল, চকরিয়া সার্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির উন্নয়ন ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র দাশ, চকরিয়া উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সহসভাপতি ও সাংবাদিক ছোটজন কান্তি দাশ, চকরিয়া উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ও হরি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মুকুল কান্তি দাশ, চকরিয়া জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন দাশ মনু, অর্থ সম্পাদক উজ্জ্বল দে (শিমুল), চকরিয়া সার্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরের অর্থ সম্পাদক নন্দরাম দাশ এবং চকরিয়া উপজেলা পূজা ফ্রন্টের সভাপতি এস. তরুণ সুশীলসহ অন্যরা।
আলোচনা সভা শেষে কেন্দ্রীয় হরি মন্দির থেকে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি চকরিয়া পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার হরি মন্দির প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশ নেন ভক্তরা। এ সময় অনেকে শ্রীকৃষ্ণ, রাধারাণীসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর সাজে সেজে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। এতে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পৌর শহরের পরিবেশ।
জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র্যাব-১৫সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।