সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন লালমনিরহাট নারী ও শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে ওই শিশু পাটগ্রাম উপজেলার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতেন। আসামি মোক্তার আলী তাদের প্রতিবেশী হওয়ায় শিশুটি তাকে ‘দাদু’ বলে ডাকত। এই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে আসামি শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রকাশ পায়।
.png)
এরপর শিশুটির বাবা ২০২০ সালের ২৬ মে পাটগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হলে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দেন।
রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, ১১ বছরের শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনায় সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সমাজে কঠোর বার্তা যাবে এবং অপরাধপ্রবণতা কমাতে রায়টি ভূমিকা রাখবে।