সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা।
.png)
মামলার সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হোসেন বিভিন্ন সময় ওই গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি রাতে গৃহবধূকে একা পেয়ে তিনি ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে আত্মরক্ষার্থে গৃহবধূ ছুরি দিয়ে আলমগীরকে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
ঘটনার ছয় দিন পর, ২০২০ সালের ৭ জানুয়ারি ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি বলেন, ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় আলমগীর হোসেনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করছে। রায় ঘোষণার পর আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।