বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হালনাগাদ প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
এতে দেখা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছর শেষে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭১৬ কোটি ডলার। এটা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ কম। ২০২১-২২ সালের জুলাই-জুন সময়ে ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩২৫ কোটি ডলার।
.png)
বাংলাদেশ ব্যাংক রেকর্ড ৩ হাজার ৩২৪ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি এবং বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাব ভারসাম্যে ১ হাজার ৮৬৯ কোটি ডলারের ঘাটতি নিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছর শুরু করেছিল।
এ প্রেক্ষাপটে ২০২২ সালের জুলাই থেকে আমদানি নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তার প্রভাবে চলতি হিসাব ভারসাম্যের ঘাটতি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে চলতি হিসাবের লেনদেন ভারসাম্যের ঘাটতি ৩৩৩ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল এক হাজার ৮৬৪ কোটি ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের আমদানি বাবদ ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ৯৫০ কোটি ডলার, যা ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় ১৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ কম। ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে আমদানি খাতে ব্যয় ছিল ৮ হাজার ২৪৯ কোটি ডলার।
একই সময়ে রফতানি খাতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে আয় হয়েছে ৫ হাজার ২৩৪ কোটি ডলার, যা ২০২১-২২ অর্থবছরের চেয়ে ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। ২০২১-২২ অর্থবছরের রফতানি থেকে আয় এসেছিল ৪ হাজার ৯২৪ কোটি ডলার। আমদানি কম এবং রফতানি বেশি হওয়াটা বাণিজ্য ব্যবধান কমাতে সহায়তা করেছে।