শনিবার মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে রিভারভিউ কোল্ড স্টোরেজ পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
ভোক্তা অধিকারের ডিজি বলেন, আলু বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতাদের রশিদ ব্যবহার করতে হবে। পাকা রশিদ না থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
.png)
তিনি আরো বলেন, এ হিমাগারে ১০ হাজার বস্তা আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে পাকা রশিদ ছাড়া। মোবাইলে দাম নির্ধারণ করে আলু বিক্রি করছেন রসরাজ বাবু নামে এক ব্যবসায়ী। জিজ্ঞাসাবাদে রসরাজের কথায় অসঙ্গতি থাকায় হিমাগারে সংরক্ষিত আলু হেফাজতে নিয়ে ২৭ টাকা মূল্যে বিক্রি করে দাম বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মুন্সিগঞ্জের পুলিশ মো. আসলাম খান, জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম প্রমুখ।