মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে কয়েকটি বাজারে ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ছোট ও মাঝারি আকারের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। সেসব তরমুজের বেশিরভাগই অপরিপক্ব। আধা পাকা এসব তরমুজ কাটার পর কোনটি রং লাল দেখা যাচ্ছে, কোনটি আবার সাদা-লাল।
ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সোমবার তরমুজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। রমজান শুরুর প্রথম দিনেই কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। যে তরমুজ পিস আকার বিক্রি হত, এখন তা কেজিতে বিক্রি হয়। রমজান আসলেই দোকানিরা ইচ্ছামতো ফলের দাম বাড়িয়ে দেন।
.png)
জাফর শেখ নামে ক্রেতা বলেন, সিজন এখনো শুরু হয়নি। তাই তরমুজ ভালো হবে না, এটাই স্বাভাবিক। তারপরও প্রথম রোজা, তাই কিনতে এসেছি। ইফতারে তরমুজ অনেক উপকারে আসে। তবে দামটা গত বছরের তুলনায় বেশি।
বিক্রেতারা জানান, আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি তরমুজ ৭৫-৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একেকটি তরমুজের ওজন দুই কেজি থেকে প্রায় ছয় কেজি পর্যন্ত। গত বছর এ সময় একই আকারের তরমুজ ৪০-৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল। আরো ১৫-২০ দিন পর পরিপক্ব তরমুজ ওঠবে বলে । তখন দামও কমবে,আকারও বড় হবে।
তারা আরো জানান, মূলত রমজানকে ঘিরে বাড়তি লাভের আশায় অনেক কৃষক পরিপক্ব হওয়ার আগেই তরমুজ বিক্রি করে ফেলছেন।