এই সেলের কাজ ছিল- নিত্যপণ্যের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারদর, বন্দরে পণ্য খালাসের পরিমাণ, আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলা ও নিষ্পত্তির তথ্য নিয়ে সেগুলো বিশ্লেষণ করা এবং এরপর বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের করণীয় নির্ধারণেও সহায়ক হিসেবে কাজ করা।
মাসখানেক আগেও ঐ ওয়েবসাইটে বলা ছিল, ‘দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেল নিত্যপণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, আমদানির পরিমাণ, মজুত ও সংগ্রহ পরিস্থিতি এবং বিতরণব্যবস্থাসহ বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে থাকে। সেলটি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনামূলক বিশ্লেষণও করে।’ কিন্তু হঠাৎ করে এসব তথ্য আর সেখানে নেই।
.png)
অনেক আমদানিকারক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিত্যপণ্য-সম্পর্কিত যথেষ্ট তথ্য সরকারি ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় না। কিন্তু এই সেল কখন পণ্য আমদানি করতে হবে, তা জানানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারত।
তারা জানান, নিয়মিত দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও এটা নিয়ে পূর্বাভাস দেওয়া হলে দেশে নিত্যপণ্যের উৎপাদন, আমদানি ও মজুত পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এগুলোর দাম সম্পর্কে জানা যেত। কিন্তু রহস্যজনক কারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেই জায়গা থেকে সরে এসেছে।
সেলটি মূলত আইআইটি অনুবিভাগের আওতায় ছিল। সেলে দুজন কর্মকর্তা ছিলেন। আইআইটি অনুবিভাগের প্রধান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রেজওয়ানুর রহমান বলেন, সেল যে ধরনের কাজ করত, তা বিটিটিসি এবং টিসিবি করছে। সম্প্রতি সেলের দুজন কর্মকর্তা বদলি হয়ে গেছেন। বিটিটিসির একজন কর্মকর্তা সহযোগিতা করছেন।
বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ অবশ্য বলেন, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের (বিটিটিসি) সঙ্গে যৌথভাবে কাজটি করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ কাজ এখন আরও জোরদার হবে। আমরা ঐ কাজ থেকে মোটেও সরে আসিনি।