বিলিয়নিয়রদের এবারের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন আরো ১৪১ জন। সব মিলিয়ে এখন বিশ্বে বিলিনিয়র ২ হাজার ৭৮১ জন। শতকোটিপতির সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে তাদের মোট সম্পদমূল্যও স্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে এখন তাদের সম্পদমূল্য ১৪ লাখ ২০ হাজার কোটি ডলার; এই পরিসংখ্যান ২০২৩ সালের চেয়ে দুই লাখ কোটি ডলার বেশি।
বাঘা বাঘাসহ ধনকুবের বিশাল তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন এক বাংলাদেশিও। তিনি সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আজিজ খান। তালিকার ২ হাজার ৫৭৯তম স্থানে অবস্থান করছেন এই বাংলাদেশি। সেখানে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ হাজার ৬৪ কোটি ৩৮ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা।
.png)
তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ফ্রান্সের বার্নার্ড আর্নল্ট। ৭৫ বছর বয়সী বার্নার্ডের সর্বমোট সম্পদমূল্য ২২৩ বিলিয়ন ডলার। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন অ্যামাজনের সহপ্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। তার সম্পদমূল্য ১৯ হাজার ৮৭০ কোটি ডলার।
তৃতীয় স্থানে আছেন ইলন মাস্ক। টেসলার প্রতিষ্ঠাতা এই ধনীর সম্পদমূল্য ১৯ হাজার ২০ কোটি ডলার। ১৭ হাজার ৪৪০ কোটি ডলার নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছেন সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। পঞ্চম স্থানে আছেন ওরাকলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন। তার সম্পদমূল্য ১৫ হাজার ৩৪০ কোটি ডলার।

ফোর্বসের ধনীদের তালিকায় ৭ম স্থানে আছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস; তার সম্পদমূল্য ১৩ হাজার ৭০ কোটি ডলার।
এদিকে মাইক্রোসফটের আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ বলমার ৯ম স্থানে এবং গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সেগেই বিন অবস্থান করছেন ১০ম স্থানে। তার সম্পদের পরিমাণ ১২৩ বিলিয়ন ডলার।
এ ছাড়াও ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানি ১১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তালিকার ১১ম স্থানে রয়েছেন।
ফোর্বস বলছে, শীর্ষ ধনীদের তালিকায় জায়গা করে নেয়া দুই-তৃতীয়াংশ ব্যক্তিরই সম্পদমূল্য গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, আর কমেছে মাত্র এক-চতুর্থাংশ ব্যক্তির সম্পদমূল্য। এছাড়া শীর্ষ ২০ ধনীর সম্পদমূল্য অনেক বেশিই বৃদ্ধি পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে তাদের সম্পদমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৭০ হাজার কোটি ডলার। সবমিলে এখন বিশ্বে বিলিয়নিয়ার রয়েছেন ২ হাজার ৭৮১ জন।