মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল থেকেই ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
জানা যায়, আজ সকাল থেকেই ব্যাংকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ অবস্থান নেয়। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গণসংহতি আন্দোলনের বিক্ষোভের কর্মসূচি থাকলেও দুপুর ১টা পর্যন্তও দলটির কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি।
.png)
বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটের সামনে ও আশপাশে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে। কিছু গ্রাহককে ব্যাংকে প্রবেশ করতে ও বের হতে দেখা গেছে।
দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গণসংহতি আন্দোলনের সমাবেশ ঘিরেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ১১টায় তাদের বিক্ষোভ করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত আসেনি।
গতকাল (২০ মে) গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করার কথা জানানো হয়। দলটি জানায়, ঋণখেলাপি ও অর্থপাচারকারীদের তালিকা প্রকাশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ও জবাবদিহিতার দাবিতে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ ও মিছিল করবে গণসংহতি আন্দোলন।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে সমাবেশে সংগঠনটির নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য তাসলিমা আখতার, মনির উদ্দীন পাপ্পু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভুঁইয়া, জুলহাসনাইন বাবু, দীপক কুমার রায়, তরিকুল সুজন প্রমুখ বক্তব্য দেবেন বলে জানানো হয়।