চামড়া বিক্রেতাদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আমিনবাজার চামড়ার আড়তগুলোতে এখন ৫-৬ জন ব্যাপারীর আধিপত্য। এই সিন্ডিকেটের কারণেই চামড়ার দাম পাচ্ছেন না তারা।
অপরদিকে আড়তদাররা বলছেন, কাঁচা চামড়া থেকে মাংস বা চর্বি কর্তন, লবণ দেয়া, বিভিন্ন রাসায়নিক প্রয়োগ, কর্মচারী বেতনসহ নানাবিধ খরচ রয়েছে। এছাড়া সিস্টেম লসে বাদ পড়ে ২০-২৫ শতাংশ চামড়া। তাই তারা বেশি দামে চামড়া কিনতে পারছেন না।
.png)
ব্যাপারীরা জানান, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চামড়ার গুণগত মান ঠিক থাকে না। বিভিন্ন ধরনের রোগাক্রান্ত পশুর চামড়া কিংবা কাটা ছেঁড়া চামড়া অবিক্রীত থেকে যায়। চামড়ার মান না বুঝেই খুচরা ব্যবসায়ীরা কিনে বিপাকে পড়েন।
ব্যাপারীরা জানান, বর্তমানে উন্নত ও বড় আকারের চামড়া ৯৫০ টাকা পর্যন্ত দাম উঠছে। ছোট, কাটা ছেঁড়া, রোগাক্রান্ত পশুর চামড়ার ক্ষেত্রে এই দাম ১০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে।