ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

আটদিনে পুঁজিবাজার ছেড়েছেন ৭৬ হাজারের বেশি বিনিয়োগকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:৪৭, ২ আগস্ট ২০২৪
আটদিনে পুঁজিবাজার ছেড়েছেন ৭৬ হাজারের বেশি বিনিয়োগকারী
ফাইল ফটো

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর থেকে দীর্ঘদিন পতনের বৃত্তে আটকে পুঁজিবাজারে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা যেন ছাত্র আন্দোলনের শাটডাউন। শাটডাউনে দেশের অন্যান্য খাতের মতো বিরূপ প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে। ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকার কারণে গত ১৯ জুলাইয়ে লেনদেন বন্ধ থাকার পরে ২৩ জুলাই লেনদেন চালু হয়। শাটডাউনের প্রভাবে আটদিনে ৭৬ হাজারের বেশি বিনিয়োগকারী হারিয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। 

পুঁজিবাজারে বিও হিসাব সংরক্ষণকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সিডিবিএলের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ২৩ জুলাই কার্যদিবসে বিও হিসাব সংখ্যা ছিল ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯২টি। জুলাইয়ের ৩১ তারিখে তা কমে দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৩টিতে। সে হিসেবে বিও হিসাব কমেছে ৭৬ হাজার ৭৯ টি। উক্ত সময়ে পুরুষ বিও হিসাবধারীর সংখ্যা কমেছে ৫৭ হাজার ৫৩৯টি এবং নারী বিও হিসাবধারীর সংখ্যা কমেছে ১৮ হাজার ১৬৮ টি। একই সময়ে বিদেশি বিও হিসাবধারীর সংখ্যা কমেছে ৪ হাজার ১৪টি।

Advertisement

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যমতে, গত ২৩ জুলাইয়ে লেনদেনের শুরুতে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৬০ হাজার ৯১৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। আর ৩১ জুলাইয়ে লেনদেন শেষে দাড়ায় ছয় লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৭ কোটি ৭ লাখ টাকায় । সে হিসেবে আট দিনে মূলধন কমেছে ১১ হাজার ৫২৭ কোটি ৩ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, শাটডাউনে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় বিও হিসাবধারী সংখ্যা কমার সুযোগ নেই। বিও হিসাবধারী সংখ্যা কমা বাড়ার মাঝে অব্যাহত থাকে। আমারা আশাবাদী সামনে আরো বিও হিসাবধারী বাড়বে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্প্রতি কমপ্লিট শাটডাউন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও ইন্টারনেট না থাকার কারণে লেনদেন করতে অনাগ্রহী হয়ে পুঁজিবাজার থেকে বিমুখী হয়ে পড়েছে বিনিয়োগকারীরা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে গত কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে ইতিবাচক ধারা লক্ষ করা গেছে।

ইতোমধ্যে যারা পুঁজিবাজার থেকে বের হয়ে যাওয়া চিন্তা করছিলেন তারা আবার নতুন করে ফিরে আসবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!