সোমবার বিএসইসির বোর্ড রুমে তিনি এসব বলেন।
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে আমাদের বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনাই মূল লক্ষ্য। আমাদের পুঁজিবাজারে ১৫ লাখ বিনিয়োগকারী আছে। কিন্তু সবাই সক্রিয় নয়, তাদের আস্থা ফিরিয়ে এনে সক্রিয় করতে হবে। বর্তমান বিনিয়োগকারীদের কীভাবে ২৫ লাখে উন্নীত করা যায়, কীভাবে চার বছরে ৫০ লাখে নেয়া যায়। কীভাবে অতীতের নেয়া ভুলগুলো শোধরানো যায়।
.png)
এদিন তিনি দুপুরে মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বিকেলে আসেন বিএসইসিতে।
এর আগে রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করে বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে ৪ বছরের জন্য নিয়োগ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের আইন ১৯৯৩ এর ধারা-৫ অনুসারে তাকে নিয়োগের তারিখ থেকে পরবর্তী ৪ বছর মেয়াদের জন্য বিএসইসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।
বিএসইসির দায়িত্ব নেয়ার আগে মাকসুদ বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্টের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তার আগে তিনি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের এমডি ও সিইও ছিলেন।
এছাড়া দীর্ঘ ৩২ বছরের ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে রাশেদ মাকসুদ সিটি ব্যাংক এনএ বাংলাদেশের করপোরেট ব্যাংকিং গ্রুপ, ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস গ্রুপ হেডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এর পরে ডিরেক্টর ও গ্লোবাল ট্রানজেকশন প্রধানের দায়িত্ব পান। এছাড়া তিনি একই ব্যাংকের ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা অফিস এবং পরে বাংলাদেশ অফিসের এমডি ও সিটি কান্ট্রি অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হন। রাশেদ মাকসুদ এমআইডিএএস ফিন্যান্স লিমিটেড-বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদের উপদেষ্টা ছিলেন।
রাশেদ মাকসুদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে ফিন্যান্সে এমবিএ সম্পন্ন করে ১৯৯২ সালে আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংকে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে যোগদানের আগে তিনি এনআরবিসি ব্যাংক লিমিটেডের এমডি এবং সাত বছর সিটি ব্যাংক এনএ বাংলাদেশের এমডি ও সিটি কান্ট্রি অফিসার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।