বুধবার রাজধানীর পল্টনে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, শেয়ারবাজারে দুষ্ট লোকদের সুবিধা দেওয়ার জন্য প্লেসমেন্ট সিস্টেম শুরু করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
.png)
তিনি আরো বলেন, প্লেসমেন্ট সিস্টেম দরকার নেই কারণ আন্ডাররাইন্টিং সিস্টেম আছে। সিস্টেম ছিল, একটা আইপিও সাবস্ক্রাইব না হলে আন্ডাররাইটার নেবে। হঠাৎ দেখি প্লেসমেন্ট। এটা কেন হলো? এই সিস্টেমে অনেকেই টাকা না দিয়েই শেয়ার নিয়েছে। এর মাধ্যমে বড় প্রতারণা হয়েছে।
আবু আহমেদ বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে মিউচুয়াল ফান্ড হচ্ছে শেয়ারবাজারের প্রাণ। অথচ আমাদের দেশে মিউচুয়াল ফান্ডের অংশগ্রহণ শূন্য। গত ১০ বছরে কোনো ভালো আইপিও আসেনি। রবি, ওয়ালটন ছাড়া বেশিরভাগই বাজে আইপিও। ভালো আইপিও আনার জন্য চেষ্টাও করা হয়নি।
তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বরে সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন প্রতিষ্ঠা হয়। তখন অনেকে বলেছিল এই কমিশন শেয়ারবাজারের জন্য দানব হয়ে দাঁড়াবে। এখন অনেকটা তা-ই দেখছি।
সিএমজেএফ সভাপতি গোলাম সামদানী ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ডিএসই ব্রোকার অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সাইফুদ্দিন, সিএমজেএফের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিয়াউর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহিম হোসাইন (রেজোয়ান), সাবেক অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ প্রমুখ।