শনিবার বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নুরুল কাদির অডিটোরিয়ামে আশুলিয়াস্থ তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর চলমান সংকট ও উত্তরণের পথ নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাবাহিনী পাশে না থাকলে সব পোশাক কারখানায় লুট হতো উল্লেখ করেন এ কে আজাদ।
.png)
তিনি বলেন, বিজিএমইএর তথ্যানুযায়ী ২৭০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে চললে ডিসেম্বর পর্যন্ত আরো অনেক কারখানা বন্ধ হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সাহায্য না করলে ৭৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন দিতে পারবেন না বলেও জানান এ কে আজাদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ক্রয়াদেশ সরে যাচ্ছে। অনেক কারখানা বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকরা। এই মাসে কোনোভাবে বেতন দিতে পেরেছি। কিন্তু সামনের মাসে ৭৫ হাজার শ্রমিকের বেতন দিতে পারব কি না তা জানি না।
এ উপস্থিত ছিলেন- বিজিএমইএ সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম, অন্তর্বর্তী সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া প্রমুখ।