ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

দুই জমজ বোন স্থান করে নিলো মাভাবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগে

শুভ দে, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: ১২:৪৩, ৬ এপ্রিল ২০২২
দুই জমজ বোন স্থান করে নিলো মাভাবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগে
মাভাবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান স্বপ্ন ও প্রিয়।

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে দুই জমজ বোন স্বপ্ন ও প্রিয়।  

দুই জনই অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী। তাদের বাসা টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর পাড়ায়। নিজেদের জ্ঞান ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে তারা সুযোগ করে নিয়েছেন মাভাবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগে। তাদের চেহারাতেও রয়েছে বেশ মিল। লেখাপড়া, মেধা, শখ, স্বপ্ন, ইচ্ছা, পছন্দ সবকিছুতেই রয়েছে অসাধারণ মিল। 

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আকুরটাকুর পাড়ায় বেড়ে ওঠা জমজ দুই বোন নুসরাত জাহান স্বপ্ন ও ইসরাত জাহান প্রিয় এ বছর গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষায় ৪৩ ও ৪২.৫ নম্বর পেয়ে মাভাবিপ্রবিতে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হন।

Advertisement

কন্ট্রাক্টর বাবা এনামুল হক তালুকদার ও গৃহিণী মা আফরিনা আফরিনা দম্পতির ঘর আলো করে ২১ জুলাই ২০০২ সালে জন্ম নেয় স্বপ্ন ও প্রিয়।

স্কুল জীবনে দুই বোনই টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তারা উভয়ই টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজ থেকে প্রায় কাছাকাছি জিপিএ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। যেখানে স্বপ্ন ৪.১৭ ও প্রিয় ৪.২৫ জিপিএ পান।

এরপর ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ১ম বর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় বিজ্ঞান ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে ৪৩ ও ৪২.৫ পেয়ে মাভাবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান স্বপ্ন ও প্রিয়।

দুই বোনের জন্ম সময় ও চেহারার মিল থাকার পর স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফলাফলেরও এতো মিল থাকাটা তাদের দুই বোনকেও অবাক করে বলে জানায় তারা।

নুসরাত জাহান স্বপ্ন বলেন, আমাদের দুই বোনের স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় এক হওয়াটা খুব স্বাভাবিক মনে হলেও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে দুই বোনেরই চান্স হবে তা কখনও ভাবিনি। এই বিষয়টা আমাদের কাছেও অবিশ্বাস্য মনে হয়। প্রয়োজনীয় সব কিছুই আমাদের দুই বোনের একই হয়। সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগটিও একই হলো। আমরা ভীষণ খুশি।

ইসরাত জাহান প্রিয় বলেন, দুই বোনের একসঙ্গে এক জায়গায় পড়ার সুযোগ হয়েছে এতে আমাদের থেকে বাবা মা বেশি খুশি হয়েছেন। তারা এমনটা চাইতেন সবসময়। আমরা ছোটোবেলা থেকেই প্রায় একইরকম ভাবে বড় হয়েছি। মাঝে মাঝে ঝগড়া হলেও আমরা মিলে যায় তাড়াতাড়ি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!