ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

বাকৃবিতে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:০০, ৫ ডিসেম্বর ২০২২
বাকৃবিতে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

‘মাটি: খাদ্যের সূচনা যেখানে’ স্লোগান সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ২০২২’ পালিত হয়েছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সেমিনার আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ।

মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. তাহসিনা শারমিন হকের সভাপতিত্বে ও সহকারী অধ্যাপক মো. হোসেনুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। 

Advertisement

সেমিনারে মাটির গঠন ও ব্যবহারের ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন করপোরেট সোশাল রেসপন্সিবিলিটির (সিএসআর) কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক তাকেহিরো ক্যামিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল হক এবং মৃত্তিকা বিজ্ঞানবিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. মুজিবুর রহমান। সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এনামুল হক, অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদের, অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ হোসেন সুমন, অধ্যাপক ড. মো. মফিজুর রহমান জাহাঙ্গীরসহ ঐ বিভাগের স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মৃত্তিকা বিজ্ঞানীগণ।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর উপরিভাগের নরম আবরণই হলো মাটি। খনিজ পদার্থ, জৈব-অজৈব পদার্থ, বায়ু ও পানি ইত্যাদি মিশ্র পদার্থ দিয়ে মাটি গঠিত। ফসল উৎপাদনের প্রধান ভিত্তি মাটি। এই মাটি আমাদের রক্ষা করতে হবে। মাটি দূষণ বন্ধ করতে হবে।

অধ্যাপক ড. তাহসিনা শারমিন হক বলেন, কৃষি জমিতে ৫ শতাংশ হারে জৈব পদার্থের থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ দিন দিন কমে আসছে। তাই কৃষি জমিকে কম চাষ করতে হবে। এছাড়া কৃষি জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার কৃষকরা যেন ব্যবহার না করে বরং তাদের সচেতন করতে হবে। রাসায়নিক সার কমিয়ে জৈব সার ব্যবহার বাড়াতে হবে। ভারী ধাতুর উৎসগুলো থেকে মাটিতে ধাতুর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাটিতে দূষণ রোধ করতে জনসাধারণকে সচেতনতাই হতে পারে টেকসই সমাধান।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!