নোবিপ্রবির সমন্বয়কদের ওপর হামলা, আটক ২
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মেহেদী হাসান সীমান্তের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে সীমান্তসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরো তিনজন গুরুতর আহত হন। আহতদের নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
রোববার (৫ জানুয়ারি) রাত ১টায় নোয়াখালীর মাইজদীর হসপিটাল রোডে সীমান্তের ওপর স্থানীয় চাঁদাবাজদের একটি গ্রুপ হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন নোয়াখালী হর্কাস মার্কেটের খাস জমি ভোগদখল করে আসছিলেন স্থানীয় চাঁদাবাজদের একটি দল। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর স্থানীয় আরেকটি গ্রুপ সে জমি ভোগদখল করা শুরু করে। এ বিষয়ে জানাজানি হলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মেহেদী হাসান সীমান্ত চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করে। এর পরই ৫ জানুয়ারি রাত ১টায় স্থানীয় চাঁদাবাজদের একটি গ্রুপ তাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী জানায়, আমরা কয়েকজন রাতে বাহিরে বের হয়েছিলাম। হঠাৎ করে কয়েকজন বন্দুকধারী সন্ত্রাসী আমাদের আক্রমণ করে। আমরা কিছু বুঝে না উঠতেই আমাদের এলোপাথাড়ি কিল-ঘুসি দেওয়া শুরু করে। মুখে এবং মাথায় মারাত্মক আহত হই। পরে স্থানীয়রা আমাদের হাসপাতালে নেয়।
এ বিষয়ে রোবিপ্রবির সমন্বয়ক বাণী ইয়ামিন বলেন, আমরা এই ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ছুটে আসি। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বেশকিছু টেস্ট করাই। বর্তমানে তিনি মোটামুটি আশংকামুক্ত আছেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বলেন, আমরা আহতদের খোঁজ নিয়েছি। যেকোনো প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন তাদের পাশে আছে। পাশাপাশি নোয়াখালী সুধারাম থানার ওসিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য জানিয়েছি।
এ বিষয়ে নোয়াখালী সুধারাম থানার ওসি (তদন্ত) কামরুল ইসলাম জানান, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করেছি। ঘটনার তদন্ত চলছে।’