বিমানবন্দরে ঋতুপর্ণার কান্নাকাটি, প্রকাশ্যে খোঁচা শ্রীলেখা
বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। তার ফলে আমদাবাদে সময় মতো শ্যুটিংয়ে পৌঁছতে পারেননি তিনি। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এক স্ট্যাটাস দেন ঋতুপর্ণা। এই পোস্টটির কয়েক ঘণ্টা পরই অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে খোঁচা মেরে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
জানা যায়, বিমানবন্দরে বোর্ডিংয়ের সময় ছিল মঙ্গলবার ভোর ৪ টা ৫৫ মিনিট। কিন্তু ঋতুপর্ণা পৌঁছান ৫ টা ১০ মিনিটে। এরপরই ঋতুপর্ণাকে জানিয়ে দেওয়া হয়, অনেক আগেই বোর্ডিং গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এরপর ৪০ মিনিট সেখানকার দায়িত্বরতকর্মীদের অনুরোধ করেন ঋতুপর্ণা। এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটিও হয় এবং কেঁদে ফেলেন এ অভিনেত্রী। কিন্তু বিমান থেকে প্রায় ৫০ পা দূরে থাকার পরও তাকে আর উঠতে দেওয়া হয়নি।
.png)
টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র লিখেন, ‘ট্রেন হোক বা প্লেন, নিয়ম তো সবার জন্য এক মামা’। দু’টি পোস্ট পর পর। প্রশ্ন জাগে, শ্রীলেখা কি তবে ঋতুপর্ণাকে খোঁচা মেরেই পোস্টটি করেছেন?
তবে বিষয়টি নিয়ে শ্রীলেখা সংবাদমাধ্যমকে বললেন, ‘না, আমি কারও বিরুদ্ধে কিছু বলিনি। নিজের কথা মনে পড়ে গেল আসলে। আমার জন্যও এক বার বিমান দাঁড়ায়নি। কারণ আমি সময় মতো পৌঁছতে পারিনি বোর্ডিং গেটে। তুমি যে-ই হও না কেন, কারও জন্য নিয়ম বদলাবে না।’
ঋতুপর্ণার নাম না নিয়েই শ্রীলেখা জানালেন, প্রত্যেক মানুষের কাছেই তার কাজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারও মিটিং আছে, কারও বা পরিবারির সমস্যা। সকলেরই গন্তব্যে পৌঁছনোর তাড়া থাকে। তাই সময় মতো পৌঁছতে হয়। না হলে বিমান দাঁড়াবে না। কারও জন্য অপেক্ষা করবে না।
আমদাবাদের বিমান ধরার জন্য যাত্রীদের গেট নং ১৯-এ বোর্ডিংয়ের সময় ভোর ৪.৫৫ দেওয়া হয়েছিল। ঋতুপর্ণা পৌঁছান ৫.১০ থেকে ৫.১২ মিনিটের মধ্যে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে জানানো হয়, বোর্ডিং গেট অনেক ক্ষণ আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে! এবং তাকে দেখতে না পেয়ে নির্দিষ্ট সময়ে নাকি তার নাম ঘোষণা করেছেন কর্তৃপক্ষ। ফোনেও যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু নায়িকার দাবি, তার কাছে কোনো ফোন আসেনি।