হাজী ফারিন কাচ্চি বিরিয়ানি উপাধি পেয়েছি: ফারিন খান
এ সময়ের আবেদনময়ী চিত্রনায়িকা ফারিন খান। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তিনটি ছবি– ফেসবুক, কনটাক্ট ম্যারেজ ও প্ল্যানার। তবে, তিনি এখন ব্র্যান্ডের ফটোশুট ও বিজ্ঞাপনের কাজেই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। রোজার মাসেও তার ছুটি নেই। ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন। তাই বলে রোজা বাদ দিচ্ছেন না। ফারিন রোজা রেখেই কাজ করছেন।
রোজার গল্প শুনতে চাইলে ফারিন শুরু করলেন ইফতারের কথা বলে, আমি বাসায় একদিনও ইফতার করতে পারিনি। প্রতিদিন শুটিং থাকছে। ইউনিটের সঙ্গে ইফতার করতে হচ্ছে। আমার শান্তি লাগে সবাই মিলে ইফতার করতে। আমার শর্ত থাকে, সবার জন্য একই ইফতারের ব্যবস্থা করা লাগবে। আমি কয়েকদিন শুটিং ইউনিটের জন্য গরুর মাংসের বিরিয়ানি রান্না করে নিয়ে গেছি। মানুষজন আমার এ আইটেমের নাম দিয়েছে, হাজী ফারিন কাচ্চি বিরিয়ানি।
সঙ্গত কারণেই জানতে চাওয়া কোন কোন আইটেম ফারিনের পছন্দ, আমি ইফতারে তরল জাতীয় খাবার পছন্দ করি। চিড়া– দই, তরমুজের শরবত, খেজুর এসব ইফতারে খেতে ভালোবাসি। আরেকটা শরবত তৈরি করি বাঙ্গি দিয়ে। সঙ্গে দই, বরফকুচি ও পুদিনা পাতা দিয়ে দেই। দারুণ স্বাদ হয়। তবে, ফলমূল তেমন খাওয়া হয় না।
.png)
ফারিন জানালেন তিনি রাতের খাবার না খেয়ে একসঙ্গে সেহরিতে খেয়ে নেন। তিনি বললেন, সেহরিতে আমার পছন্দ আম– দুধ। ইফতারের পর রাতে খাওয়া হয় না। একদম একটা বা দেড়টার দিকে খেজুর, বাদাম, মাছ, মাংস– এসব খাওয়া হয়। ভাত খাই না। ভাত খেলে অলস লাগে।
রোজার মজার স্মৃতি জানতে চাইলে ফারিন জানালেন, আমি সাত বছর বয়স থেকে রোজা রাখি। দেখা যেত রোজার সময় পরীক্ষা থাকতো। একবার বাংলা পরীক্ষা দিতে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যাই। তখন স্কুলের মিস মাকে বলেছিলেন কেন রোজা রাখতে দিয়েছেন। মা জানান রোজা রাখতে না দিলে না খেয়ে রোজা রাখি। তাই সেহরিতে খাইয়ে দিয়েছেন। এমন ঘটনাবহুল সময় কেটেছে ছোটবেলার রোজায়।
ঈদের বিষয়ে ফারিন বললেন, ঈদে সবাইকে খাওয়াতে পছন্দ করি। সেমাই রান্না করি। পোলাও, গরুর মাংস ভুনা থাকে মেন্যুতে। আমি ভালো রান্না করি, নিজের পছন্দে করিনা।
ফারিন সালামির প্রসঙ্গ তুলে বললেন, ছোট খালু- খালামণি সালামি দিত। আমি সালামি জমিয়ে আম্মুর জন্য কিছু কিনতাম। বাসায় কিছু লাগলে কিনতাম। এখন ছোটদের সালামি দিতে হয়। ওরা দাঁড়িয়ে থাকে সালামির জন্য। অথচ আমি ২০ টাকার সালামি পাবার জন্য বড়দের পা ধরে বসে থাকতাম। বড় হবার জাজ মাল্টিমিডিয়ার আজিজ ভাই ৫০ হাজার টাকা সালামি দিয়েছেন। ছোটবেলায় সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা সালামি জুটেছিল।
“টি”