প্রজন্মের চাওয়া পাওয়ার গল্পে ক্রাউন ইঞ্জিনের নতুন গান ‘কি হইলো!’,
আমরা কত অদ্ভুত, তাই না? কখনো সম্মানের আশা, কখনো ক্ষমতার লোভ, কখনো টাকার নেশা আবার কখনো শুধু একটু ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকার তীব্র প্রয়াস। জীবনে আমরা আসলে যা চাই, তাই কি পাই? কী চাই আর কী হয় এমন কিছু প্রশ্ন, বাস্তবতা ও প্রজন্মের টানাপোড়েনকে সামনে রেখে নতুন বাংলা হিপ-হপ গান প্রকাশ করেছে ক্রাউন ইঞ্জিন।
‘কি হইলো!’ শিরোনামের গানটির সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিও। বাংলা হিপ-হপ ও র্যাপ ঘরানার এই গানটিতে বর্তমান সময়ের তরুণ প্রজন্মের জীবন, আকাঙ্ক্ষা, হতাশা, সামাজিক বাস্তবতা এবং টিকে থাকার লড়াইকে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে জেন-জি ও জেন-আলফা প্রজন্মের প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা ও নানা মানসিক টানাপোড়েনকে গানটির অন্যতম মূল প্রেক্ষাপট হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
.png)
ক্রাউন ইঞ্জিনের মিউজিকে গানটিতে কোরাসে কণ্ঠ দিয়েছেন আলী আদনান আদার। মিউজিক প্রোডাকশনে রয়েছেন ক্রিটিক্যাল মাহমুদ এবং বিট প্রোডাকশনে রয়েছেন এমআর রাব্বি। গিটারে ছিলেন আরিয়ান হাসান ও তীর্থ চক্রবর্তী।
গানটির রেকর্ডিং করা হয়েছে হল অব ক্রিটিক্সে। মিক্সিং ও মাস্টারিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন ক্রিটিক্যাল মাহমুদ। অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন মাইনুল ইসলাম রিমন।
মিউজিক ভিডিওর প্রধান চরিত্রে আশেকিন স্নেহার সাথে এতে আরো অভিনয় করেছেন সাবিহা শিমু, পুষ্পিতা মোমো ও দিলরুবা সুমি। গানের মূল বক্তব্য ও আবহকে কেন্দ্র করে নির্মিত ভিডিওতে তাদের অভিনয়ের মাধ্যমে গল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
‘কি হইলো!’-এর মূল ভাবনায় রয়েছে মানুষের চাওয়া-পাওয়া আর বাস্তবতার মধ্যকার দূরত্ব। কখনো সম্মান পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, কখনো ক্ষমতার লোভ, কখনো অর্থের পেছনে ছোটা—আবার কখনো শুধু ন্যূনতম প্রয়োজনটুকু পূরণ করে বেঁচে থাকার চেষ্টা; জীবনের এমন নানা বৈপরীত্যই গানটির কথায় উঠে এসেছে।
মানুষ জীবনে যা চায়, সবসময় তা-ই যে পায় না পরিচিত এই বাস্তবতাকে র্যাপের ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে ‘কি হইলো!’-তে। ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা, সামাজিক প্রত্যাশা ও বাস্তব জীবনের সীমাবদ্ধতার মধ্যকার দ্বন্দ্বই গানটির বক্তব্যকে এগিয়ে নিয়েছে।
গানচিল মিউজিকের ব্যানারে সিঙ্গেল হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে ‘কি হইলো!’। সমকালীন প্রজন্মের ভাষা, অভিজ্ঞতা ও চারপাশের বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই গান ও অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিও এখন দর্শক-শ্রোতাদের জন্য উন্মুক্ত।